সম্প্রতি সময়ে বাংলাদেশ সহ সারা বিশ্ব জুড়ে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা গুলোর বেশ কিছুটা প্রভাব পড়বে আমাদের ব্যবসায়িক খাতেও। বিশেষ করে নিরাপত্তা এবং পারিপার্শ্বিক অস্থিরতার কারণে আগের তুলনায় অনেক বেশি মানুষ এখন অনলাইন থেকে কেনাকাটা করবেন বলে আমি মনে করি। অর্থাৎ অনলাইনে কেনাকাটার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে এবং সম্ভবত ঈদের কিছুটা পরেই আমরা এরকম একটা চিত্র দেখতে পাব। তাই, সরাসরি কিংবা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ব্যাবহার করে যারা অনলাইনে পণ্য বিক্রি করছেন তাদের প্রতি অনুরোধ অনুগ্রহ করে মানসম্মত পণ্য সঠিক দামে সরবরহ করুন, আপনার একটু সচেতনা যেমন হাজারো মানুষকে অনলাইন কেনাকাটায় উৎসাহিত করতে পারে ঠিক তেমনি আপনার উদাসীনতা হাজারো মানুষকে অনলাইন কেনাকাটা বিমুখও করতে পারে।
Tuesday, July 5, 2016
Sunday, July 3, 2016
সবার জন্য ই-কমার্স, যেকোন পেশার মানুষই হতে পারেন একজন সফল ই-কমার্স উদ্যোক্তা। শুরুর আগেই অবশ্যই জেনে বুঝে তারপর শুরু করুন
খুবই সাধারণ কিছু নির্দেশনা শেয়ার করছি , আশা করি অনেকেরই কাজে লাগবে।
প্রথম ধাপঃ প্রস্তুতি
প্রথমেই একটি সমস্যার কথা ভাবুন, যার সমাধান
হবে আপনার ই- কমার্স প্রকল্পের মাধ্যমে।
মনে রাখবেন, আপনি কিধরণের পণ্য বা সেবা আপনার
সাইটের মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চাইছেন তার থেকেও বেশী গুরুত্বপূর্ণ হল এই পণ্য বা
সেবা গ্রহণ করার জন্য মার্কেটে কি পরিমাণ চাহিদা আছে সেটা যাছাই করা ।পণ্য বা
সেবার সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করুন, মার্কেটিং এর ভাষায় আমরা একে বলি “GREAT PRODUCT”
দ্বিতীয় ধাপঃ মার্কেটিং প্ল্যান
কখনই দীর্ঘ মেয়াদী মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি
করবেন না, মার্কেটিং স্ট্যাটেজি প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তন হচ্ছে, একজন থেকে আরেকজন
ভালো এবং কার্যকরী প্ল্যান করছেন। আপনি বা আমি কেউই জানিনা ৬ মাস পর মার্কেটের
সিনারিয় কি হবে সুতরাং আগে পরিস্থিতি বুঝুন তারপর প্ল্যান করুন। অবশ্যই মনে
রাখবেন, আপনি ২ মাস চিন্তা করে যে প্ল্যান বের করবেন আপনার কম্পিটিটর রাতারাতি
সেটা কপিপেস্ট করে ফেলবে।
তৃতীয় ধাপঃ এডভান্স মার্কেটিং এন্ড
স্ট্যাটেজি
এডভান্স মার্কেটিং এন্ড স্ট্যাটেজি আপনার
সেলস এনশিয়র করবে । মার্কেটিং প্ল্যান (দ্বিতীয় ধাপ) এ আপনি ঠিক করেছেন আপনার পণ্য
বা সেবার মার্কেটিং পলিসি কিন্তু এডভান্স মার্কেটিং এন্ড স্ট্যাটেজি পার্ট এ
আপনাকে ঠিক করতে হবে কীভাবে পণ্যের মার্কেটিং করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত সেলস জেনারেট
হবে । যেমন, আপনার পণ্য বা সেবার সম্ভাব্য ভোক্তা যদি হয় চাকরিজীবী এবং যারা মাসে
৩০-৪০ টাকা বেতন পায় । সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই খুঁজে বের করতে হবে কোন
প্রতিষ্ঠানে গুলোর স্যালারী রেঞ্জ ৩০-৪০ হাজারের মধ্যে এবং আপনার মার্কেটিং
প্ল্যানের মাধ্যমে তাদের রিচ করতে হলে কোন পদ্ধিতিটা সবচেয়ে কার্যকারী হবে।
চতুর্থ ধাপঃ ব্রান্ডিং
ব্র্যান্ড কখনও সেলস এনশিয়র করে না, ব্র্যান্ড
মূলত সম্ভাব্য ক্রেতাকে আপনার পণ্য বা সেবা ক্রয়ে উদ্বুদ্ধ করে। ব্র্যান্ডিং হল
একমাত্র হাতিয়ার যা কাস্টোমার লয়ালিটি তৈরি করতে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকা পালন করে
থাকে । ব্র্যান্ডিং শুধুমাত্র তখনই প্রয়োজন , যদি কিনা আপনার দীর্ঘমেয়াদী ব্যাবসা
করার পরিকল্পনা থেকে থাকে। অনেকেই সেলস, মার্কেটিং আর ব্র্যান্ডিং ব্যাপার গুলো এক
করে ফেলেন কিন্তু আসলে ব্যাপারটা একদমই ভিন্ন। সেলস করার জন্য মার্কেটিং প্রয়োজন
আর কাস্টোমার লয়ালিটি অর্জন করার জন্য ব্রন্ডিং প্রয়োজন।
আর ই-কমার্সে একটা কমন এবং ইমোশনাল ভুল সবাই
করে, সেটা হল “আমার সাইটই সেরা” মনে প্রানে সবাই এমনটাই ভেবেন , কিন্তু বাস্তবতা
হল আপনার ইমোশন কিন্তু কাস্টোমার বুঝবে না, তারা যা বুঝবে সেতা হল, আপনার সাইট
থেকে তারা উপকৃত হচ্ছে কিনা। সুতরাং ২০ জনের সাথে আগে কথা বলুন মতামত নিন, তারপর
কাজ শুরু করুন আর সবসময় মাথায় রাখুন ব্যাবসা করতে হলে ক্রেতার চাহিদাকে সর্বোচ্চ
গুরুত্ব দিতে হবে এমন কি নিজের ইচ্ছার থেকেও অনেক বেশি।
Friday, April 22, 2016
ই-কমার্স, বাংলাদশ এবং অনালাইন কেনাকাটা, পর্বঃ ১
ক্লিকবিডি'র কাছে আমরা চির কৃতজ্ঞ , কারণ মুন্সিজিডটকম এর পর এই দেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে ই-কমার্স নিয়ে কাজ করার মত চ্যালেঞ্জটা মূলত তারাই শুরু করেছিল।
ক্লিক বিডি'র শুরুটা সম্ভবত ২০০৫ এর দিকে ছিল, ২০০৯ থেকে দারুণ ব্যাবসা সফল হলেও ২০১১ তে এসে কিছুটা হোঁচট খায় সাইটটি , পুরানো থিম পাল্টে নতুন থিম আর নতুন প্রাইস প্ল্যানটি তখনকার দিনে সময় উপযোগী ছিলনা। একটা ফিচার অ্যাড পোস্ট দিতে যেখানে মাসে ৩০০ টাকা লাগত হটাৎ করেই সেটা হয়ে যার ৫০টাকা/দিন। ক্রমাগত ভিজিটর হারাতে থাকে সাইটটি।
এদিকে গ্রামীণফনের সেলবাজার ততদিনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
অদ্ভুত হলেও সত্য যে, আমি লক্ষ্য করেছিলাম ক্লিকবিডি'র ভিজিটর যে হারে কমছে সেলবাজারের ভিজিটর ঠিক সেই হারেই বাড়ছিল। এমন দুর্যোগের সময়ও ক্লিকবিডি কিন্তু মোটেও ভেঙ্গে পরেনি বরং তারা নতুন এক স্ট্যাটেজি গ্রহণ করে আর তা হলো "ই-স্টোর কনসেপ্ট" । আজকের দিনে যারা ব্যাবসা সফল ই-কমার্স সাইট গুলো পরিচালনা করছেন তারা অনেকেই পরিচিতি পেয়েছিলেন ক্লিকবিডির "ই-স্টোর কনসেপ্ট" থেকে। সেলবাজার খুবই অল্প সময়ে মার্কেটে পরিচিতি পেয়ে যায়, এবং সেলবাজারের কিছু বিশেষ ফিচার ছিল যেমন, কেউ একাউণ্ট খুললেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে তার একটা নিজস্ব অনলাইন স্টোর (ই- স্টোর) তৈরি হয়ে যেত (cellbazaar.com/01711******) এবং AD Update নামে একটা ফিচার ছিল যেখানে ক্লিক করলে অ্যাডটি সবার প্রথমে চলে আসতো। আশ্চর্য জনক ভাবে সত্য যে সেলবাজারে প্রতি সেকেন্ডে একাধিক অ্যাড পোস্ট হত। সেলবাজারে যারা কিনা খুব সক্রিয় ছিল তারাই এখন বড় বড় ই-কমার্স সাইটের স্বত্বাধিকারী। সেলবাজারের সবচেয়ে বড় সুফল ভোগ করে ঢাকার বিভিন্ন মার্কেট এবং শপিং মলে অবস্থিত প্রযুক্তি পণ্য বিক্রেতাগণ । আজকে StarTech, Zettabyte এর মত নাম গুলো সবার মুখে মুখে পরিচিত হবার পেছনে একটা বিশাল অবদান এই সেলবাজার আর ক্লিকবিডির।
সেই সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে সাধারণ মানুষের খুব একটা ধারণা ছিলনা, ই-মেইল মার্কেটিং কিংবা এসএমএস মার্কেটিংও খুব বেশি জনপ্রিয় ছিলনা, তাই পণ্য কিংবা সেবা যাই হোক না কেন মার্কেটিং এর জন্য সবাই ক্লিকবিডি এবং সেলবাজারের মত অনলাইন প্ল্যাটফর্মই ব্যবহার করত। ক্লিকবিডির ক্লিক কার্ড ফিচারটি
সম্ভবত বাংলাদেশে প্রথম বারের মত অনলাইনে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করার সুযোগ সৃষ্টি করে, কিন্তু ২০১১ সাল ,কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন থেকে পণ্য কেনাকাটা করার মত বাপারাটা একজন সাধারণ ক্রেতা খুব একটা সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনি।
ক্লিক বিডি'র শুরুটা সম্ভবত ২০০৫ এর দিকে ছিল, ২০০৯ থেকে দারুণ ব্যাবসা সফল হলেও ২০১১ তে এসে কিছুটা হোঁচট খায় সাইটটি , পুরানো থিম পাল্টে নতুন থিম আর নতুন প্রাইস প্ল্যানটি তখনকার দিনে সময় উপযোগী ছিলনা। একটা ফিচার অ্যাড পোস্ট দিতে যেখানে মাসে ৩০০ টাকা লাগত হটাৎ করেই সেটা হয়ে যার ৫০টাকা/দিন। ক্রমাগত ভিজিটর হারাতে থাকে সাইটটি।
এদিকে গ্রামীণফনের সেলবাজার ততদিনে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
অদ্ভুত হলেও সত্য যে, আমি লক্ষ্য করেছিলাম ক্লিকবিডি'র ভিজিটর যে হারে কমছে সেলবাজারের ভিজিটর ঠিক সেই হারেই বাড়ছিল। এমন দুর্যোগের সময়ও ক্লিকবিডি কিন্তু মোটেও ভেঙ্গে পরেনি বরং তারা নতুন এক স্ট্যাটেজি গ্রহণ করে আর তা হলো "ই-স্টোর কনসেপ্ট" । আজকের দিনে যারা ব্যাবসা সফল ই-কমার্স সাইট গুলো পরিচালনা করছেন তারা অনেকেই পরিচিতি পেয়েছিলেন ক্লিকবিডির "ই-স্টোর কনসেপ্ট" থেকে। সেলবাজার খুবই অল্প সময়ে মার্কেটে পরিচিতি পেয়ে যায়, এবং সেলবাজারের কিছু বিশেষ ফিচার ছিল যেমন, কেউ একাউণ্ট খুললেই স্বয়ংক্রিয় ভাবে তার একটা নিজস্ব অনলাইন স্টোর (ই- স্টোর) তৈরি হয়ে যেত (cellbazaar.com/01711******) এবং AD Update নামে একটা ফিচার ছিল যেখানে ক্লিক করলে অ্যাডটি সবার প্রথমে চলে আসতো। আশ্চর্য জনক ভাবে সত্য যে সেলবাজারে প্রতি সেকেন্ডে একাধিক অ্যাড পোস্ট হত। সেলবাজারে যারা কিনা খুব সক্রিয় ছিল তারাই এখন বড় বড় ই-কমার্স সাইটের স্বত্বাধিকারী। সেলবাজারের সবচেয়ে বড় সুফল ভোগ করে ঢাকার বিভিন্ন মার্কেট এবং শপিং মলে অবস্থিত প্রযুক্তি পণ্য বিক্রেতাগণ । আজকে StarTech, Zettabyte এর মত নাম গুলো সবার মুখে মুখে পরিচিত হবার পেছনে একটা বিশাল অবদান এই সেলবাজার আর ক্লিকবিডির।
সেই সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে সাধারণ মানুষের খুব একটা ধারণা ছিলনা, ই-মেইল মার্কেটিং কিংবা এসএমএস মার্কেটিংও খুব বেশি জনপ্রিয় ছিলনা, তাই পণ্য কিংবা সেবা যাই হোক না কেন মার্কেটিং এর জন্য সবাই ক্লিকবিডি এবং সেলবাজারের মত অনলাইন প্ল্যাটফর্মই ব্যবহার করত। ক্লিকবিডির ক্লিক কার্ড ফিচারটি
সম্ভবত বাংলাদেশে প্রথম বারের মত অনলাইনে ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কেনাকাটা করার সুযোগ সৃষ্টি করে, কিন্তু ২০১১ সাল ,কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন থেকে পণ্য কেনাকাটা করার মত বাপারাটা একজন সাধারণ ক্রেতা খুব একটা সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেনি।
চলবে ...
Thursday, July 24, 2014
*** সম্ভবত আমরাই প্রথম ই-কমার্স নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চলেছি ***
মূলত এটা একটা
ভার্চুয়াল বিজনেস প্ল্যাটফর্ম সহজ ভাবে বলতে
গেলে একটা ওয়েবসাইট
যেখানে ঢাকার জনপ্রিয় মার্কেট গুলো
থেকে
অনাইলনে কেনাকাটা
করার সুযোগ থাকবে
পাশাপাশি বিভিন্ন
ব্র্যান্ড, এফ-কমার্স
(ফেইসবুক পেইজ এর
মাধ্যমে পরিচালিত
প্রোজেক্ট) এবং
ব্যাক্তিগত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় এর
জন্য ক্লাসিফাইড অ্যাড সার্ভিস থাকবে।
যদি শুধু মাত্র ঢাকার বিপণি-বিতান গুলোর কথাই বলি, বর্তমানে
মার্কেটগুলো সপ্তাহে ৬ দিন এবং প্রতিদিন ৮-১০ ঘণ্টা ক্রেতা সাধারণের জন্য উন্মুক্ত
থাকে এবং দুর্ভাগ্যবশত শুধু মাত্র ঢাকাতে অবস্থানকারী এক জন ক্রেতাই এই মার্কেট
গুলো থেকে পণ্য ক্রয় করার সুবিধা লাভ করেন। আবার প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্রেতা একটি
দোকান কিংবা শোরুম এ ভীড় করে তাদের মধ্য থেকে সবাই কিন্তু পণ্য ক্রয় করে না। এদের
মধ্যে অনেকেই থাকেন যারা নিদিষ্ট পণ্যটি সম্পর্কে জানতে বা দেখতে আসেন।
অনলাইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম এ যুক্ত হবার কারণে বিপণী-বিতান
গুলো সপ্তাহে ৭ দিন আর দিনে ২৪ ঘণ্টা ক্রেতা সাধারণের জন্য উন্মক্ত থাকবে, শুধু
তাই নয় সারা বাংলাদেশের মানুষ এই সব বিপনি-বিতান থেকে কেনাকাটা করার সুযোগ পাবে। অর্থাৎ
এখন সিলেট কিংবা রাজশাহীতে বসেও বসুন্ধারাসিটি কিংবা যমুনা ফিউচার পার্ক থেকে
কেনাকাটা করার সুযোগ তৈরি হবে এবং অন্যদিকে বসুন্ধারাসিটি কিংবা যমুনা ফিউচার
পার্ক এ অবস্থিত একটি দোকান বা শোরুম সারা দেশব্যাপী ব্যাবসা পরিচালনা করতে পারবে।
এবার আসা যাক এফ-কমার্স এবং ই-কমার্স নিয়ে যারা কাজ
করছেন তাদের কথায়। দিন দিন ই-কমার্স এর সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েই চলছে এফ-কমার্স প্রোজেক্ট
এর সংখ্যা। কিন্তু শুধু মাত্র ফেইসবুকে একটা পেইজ কিংবা শুধু একটি ওয়েবসাইট তৈরি
করলেইতো আর সফল হওয়া যায় না। আবার শুধু মাত্র ভালো পণ্য সরবরাহ করলেও ব্যাবসা হবে
না , ব্যাবসা তখনই হবে যখন প্রতিযোগিতা থাকবে ক্রেতা থাকবে এবং পণ্য গ্রহণের জন্য
ভোক্তার চাহিদা থাকবে। আর তার জন্য প্রয়োজন সঠিক বিপনন পরিকল্পনা। ব্যাক্তিগত
পর্যায়ে নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে অনেকেই এফ-কমার্স এবং ই-কমার্স কে
বেঁছে নিচ্ছেন । অনলাইন ভিত্তিক এই বিপনন ব্যাবস্থা অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠার
মূল কারণ হল স্বল্প পুঁজিতে যেকেউ ই-কমার্স কিংবা এফ-কমার্স প্রোজেক্ট পরিচালনা
করতে পারেন ,যেখানে কিনা গতানুগতিক রীতিনীতি অনুসরণ করে একটি দোকান বা শোরুম নিতে
হলে প্রথমেই লাখ টাকার হিসাবনিকাশ করতে হয়।
অনলাইন বিজনেস প্ল্যাটফর্ম এ যুক্ত হবার কারণে ই-কমার্স এবং
এফ-কমার্স প্রোজেক্ট গুলো নামীদামী বিপনিবিতান গুলোর সাথে একই সারিতে প্রতিযোগিতায়
অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাবে। সেই সাথে সারা দেশব্যাপী পণ্য বিপণন এবং নিজস্ব ইউআরএল
ব্যাবহার করে ই-স্টোর ব্যাবহারের সুবিধা ও পাওয়া যাবে।
সাইটটি এখনও নির্মাণাধীন অবস্থায় আছে। আশা করছি এই বছরের
শেষ নাগাত এটি পুরোপুরি তৈরি হয়ে যাবে।
সাইট লিঙ্ক
এই প্রোজেক্ট সম্পর্কে সকলের গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ আশা
করছি ।
Monday, July 14, 2014
প্রচারেই প্রসার ,সম্ভাবনাময় ডিজিটাল মার্কেটিং
“ প্রচারেই প্রসার ” ব্যাবসা করতে হলে
কথাটি মনে প্রাণে মানতেই হবে। না মানলে লোকসান যেটা হবে তা হল, আপনি আপনার
জায়গাতেই থাকবেন কিন্তু বাকি সবাই আপনাকে ছেঁড়ে অনেকদূর এগিয়ে যাবে। ফলাফল কেউ না
কেউ খুব সহজেই আপনার মার্কেট পজিশনটা নিজের করে নিবে এবং আপনার কাস্টমাররা খুব
তাড়াতাড়ি আপনাকে ভুলে যাবে।
বড় বড় কোম্পানি গুলো মার্কেটিং
এর ক্ষেত্রে অনেক বেশী গুরুত্ব দিলেও সাধারণ উদ্যোক্তার জন্য ব্যাপারটা বেশ
কষ্টসাধ্য। যার অন্যতম মূল কারণ বাজেট স্বল্পতা । কিন্তু তার মানে এটা ভাবা কখনই ঠিক হবেনা যে, বড় বড় কোম্পানি
যেখানে পারেনি অথবা সফল হয়নি সেখানে আপনি কিভাবে পারবেন আর মার্কেটিংএ অদক্ষতার
জন্য যদি কোন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায় সেটার জন্য অবশ্যই সেই প্রতিষ্ঠানের
সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট দায়ী কারণ তারা দায়িত্ব পালনে অদক্ষ।
বর্তমান
সময়ে
কোন ব্যাবসা কে
প্রোমট করার জন্য অথবা ব্র্যান্ডিং করার
জন্য
কেউ
যদি
গতানুগতিক
মার্কেটিং
পদ্ধতি অনুসরণ করতে চায় তবে নিঃসন্দেহে অনেক বেশী
ব্যায়
বহুল
আর
এই
ব্যায়
নিয়ন্ত্রন
করে
আরও
বেশী
কার্যকর
মার্কেটিং
ব্যাবস্থার নাম “ডিজিটাল
মার্কেটিং”। ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে যদি লিখতে যাই তবে নির্ঘাত ছোটখাট একটা বই হয়ে
যাবে, তাই খুব সংক্ষেপেই একটু বলি, ব্যাস্ততম সড়কের মোড়ে অথবা ট্রাফিক সিগন্যালে বিশাল
আকার বিজ্ঞাপন শূন্য বিলবোর্ড গুলো নিশ্চয়ই দেখেছেন একসময় বিলবোর্ডের রমরমা
ব্যাবসা থাকলেও ডিজিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয়টার জন্য বিলবোর্ড ব্যাবসায়ীদের বেশ
বেগ পেতে হচ্ছে (যদিও এটা সাময়িক)। অন্যদিকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছে সোশ্যাল মিডিয়া
মার্কেটিং (ডিজিটাল মার্কেটিং এর পার্ট)। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর জনপ্রিয়
একটা প্ল্যাটফর্ম এর নাম ফেসবুক। শুধু মাত্র অনলাইন এ বসে ৫০,০০,০০০ বাংলাদেশীর
সামনে নিজের ব্র্যান্ড মার্কেটিং এর সুযোগ একমাত্র ফেসবুকই দেয় এবং টার্গেট
কাস্টমারের একদম চোখের সামনে গিয়ে নিজের ব্র্যান্ড প্রোমট করার সুযোগটাও কিন্তু
সম্ভব হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কল্যাণেই।
সম্ভাবনা আছে বলেই ই-কমার্স
বিজনেস এর শুরুটা হয়েছে এবং ই-কমার্স নিয়ে সবার উৎসাহ দিন দিন বেড়েই চলছে কিন্তু
সমস্যা একটাই সঠিক গাইড লাইন দেয়ার মত তেমন কেউ নেই। তাই বলে এটা ভাবা মোটেও ঠিক হবেনা যে সব ই-কমার্স
প্রোজেক্ট থেকেই খুবই সামান্য পরিমাণ প্রফিট আসে। নিজস্ব আইটি সাপোর্ট, মার্কেট
স্টাডি করার মনোভাব, ডেলিভেরি সার্ভিস আর কিছুটা মার্কেটিং জ্ঞান থাকলে প্রতি মাসে
৪০,০০০ -৪৫,০০০ টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করা খুব একটা দুঃসাধ্য ব্যাপার মোটেও না (না
জেনে মোটেও বলছি না)। টি-শার্ট কিনতে চাইলে মাথায় যেমন বিক্রয়.কম এর কথা আসবেনা
তেমনি বাসার পুরনো ফার্নিচার বিক্রি করার জন্যও নিউমার্কেট এর কথা মাথায় আসবেনা।
এর নাম ব্র্যান্ড পজিশনিং। ১৬,০০,০০,০০০ কোটি জনসংখ্যার ৩.৫% মানুষও যদি ইন্টারনেট
ব্যবহারকারী হয়ে থাকে তাহলে ইন্টারনেট বাবহারকারীর সংখ্যা হয় ৫৬,০০,০০০। তারপরও
যদি কেউ মনে করেন স্যাম্পল সাইজ মার্কেটিং এর জন্য যথেষ্ট না এবং ডোর টু ডোর
মার্কেটিং এর মাধ্যমে আরও বেশী কাস্টমার পাওয়া সম্ভব, সেটা একান্তই তার নিজস্ব
মতবাদ। ডোর টু ডোর মার্কেটিং সফল তখনই হবে যখন কিনা আপনার কথা শোনার জন্য
ক্লায়েন্ট যথেষ্ট সময় দেবেন এবং নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট এর জন্য ক্লায়েন্টের চাহিদা
থাকবে। তার আগে আরেকটা ব্যাপার কাজ করে তা হল আপনার ব্র্যান্ড ইমেজ। আপনার
কোম্পানির সেলস পারসনের যদি প্রথমে ক্লায়েন্টের কাছে বোঝাতে হয় যে “আমি অমুক
কোম্পানি থেকে এসেছি, এই আমাদের প্রোডাক্ট ... ... ইত্যাদি ইত্যাদি ” ক্লায়েন্ট
এমনিতেই বিরক্ত হয়ে যাবে। কারণ আপনি যাদের ক্লায়েন্ট ভেবে সেলস পারসনদের পাঠাচ্ছেন, আরও ৫ টা প্রতিষ্ঠানও
ঠিক একই ভাবে একই ক্লায়েন্টের কাছে প্রোডাক্ট সেলস করার জন্য বিক্রয় প্রতিনিধি
পাঠাবে এবং ক্লায়েন্ট তার প্রোডাক্টই কিনবে যার নাম টা বেশী পরিচিত যাকে আমরা বলি
“ব্র্যান্ড ইমেজ”।
একটা শক্তিশালী মার্কেটিং
প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য তৈরি করা যেতে পারে একটা কমন ওয়েব বেইজ প্ল্যাটফর্ম।
সহজ কথায় একটা ওয়েবসাইট যেখানে প্রতিটা ই-কমার্স প্রোজেক্ট এবং ফেসবুক পেজ এর
নিজস্ব ই-ষ্টোর থাকবে পাশাপাশি সব ধরণের প্রোডাক্ট নিয়ে ই-ষ্টোর খোলার সুযোগ থাকবে
এবং কমার্শিয়াল অ্যাড এর জন্য প্রচুর স্থান থাকবে। প্রোডাক্ট/ ই-ষ্টোর প্রমোশনের
জন্য বিভিন্নও রকম ফিচার অ্যাড এর ব্যাবস্থা থাকবে। সকলে মিলে যদি ওয়েবসাইট এর
জন্য প্রমোশনের জন্য কাজ করা যায় তাহলে অনেক বড় ধরণের মার্কেটিং করা সম্ভব আর সাইট
এর মার্কেটিং মানেই আপনার ই-ষ্টোর প্রমোট করার সুযোগ অন্যদিকে ভিজিটরও এক ওয়েব
সাইটে সব ধরণের ই-ষ্টোর পেয়ে যাবে সে নিজেও চাইবেনা অন্য কোথাও ভিজিট করতে।
অনেকটাই সুপার সপ এর বিজনেস এর মত এক ছাদের নীচেই যখন সব পাওয়া যাবে তখন কষ্ট করে
কেন ভিন্ন ভিন্ন ষ্টোরে যাবেন।
Sunday, July 13, 2014
***** ই-কমার্স এর জন্য কিছু মার্কেটিং টিপস *****
·
আপনার সাইট মার্কেটিং করলে ভিজিটর আসবে
এটাই স্বাভাবিক , কিন্তু ভিজিটর আসলেই যে আপনি সেলস পাবেন এমনটা ভাবা ঠিক না। বাংলালিঙ্ক
কিংবা গ্রামীণ ফোনের টিভি অ্যাড গুলো নিশ্চয় দেখেছেন এবং হয়তো আপনার ভালোও লেগেছে
কিন্তু এই ভালো লাগা থেকে কি আপনি আপনার পুরনো সিম কার্ডটি পরিবর্তন করে
বাংলালিঙ্ক বা গ্রামীণ সংযোগ ব্যাবহার করছেন ? আপনি আপনারন সিম কার্ডটি শুধু মাত্র
তখনই পরিবর্তন করবেন যখন কিনা প্রয়োজন অনুভব করবেন।
·
মার্কেটিং প্ল্যানটি ধাপে ধাপে সাজিয়ে
নিন।
যেমনঃ আপনার মার্কেটিং অবজেক্টিভ কি? সাইটের
পরিচিতি বাড়ানো , নাকি পণ্য সেল করা নাকি নিজস্ব ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করা ।এই
অবজেক্টিভ অর্জন করতে হলে আপনার কি ধরণের প্রোমোশন প্রয়োজন, এই প্রোমোশন এর জন্য
কি পরিমাণ বাজেট প্রয়োজন ইত্যাদি।
·
ভিজিটর এঙ্গেজমেন্ট
কনটেন্ট হল একটা সাইটের প্রাণ । আপনার
প্রোডাক্ট এমন ভাবে উপস্থাপন করুণ যাতে করে ভিজিটর সেটি দেখতে আগ্রহী বোধ করে।
অনলাইন পণ্য বিক্রির সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনার সম্ভাব্য ক্রেতা যদি পণ্যর
বিজ্ঞাপন দেখে একবার পছন্দ করে ফেলেন তাহলে সেল মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া যায়।
·
রিপিট ভিজিটর নিশ্চিত করুণ।
মনে রাখবেন মার্কেটিং করলে ভিজিটর পেয়ে
যাবেন কিন্তু এই ভিজিটর পুনরায় কেন আপনার সাইট ভিজিট করবে সে কথা মাথায় রেখে সাইটে
নিয়মিত নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুণ। যেমন, সেটা হতে পারে পণ্যের ভিন্নতা কিংবা
সপ্তাহে যেকোনো একদিন বিশেষ মূল্য ছাড় ইত্যাদি। তাতে করে ভিজিটর আপনার সাইটের
প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং নিয়মিত সাইট ভিজিট করবে।
Thursday, May 1, 2014
প্রথম আলো কিংবা বিডিনিউজ২৪.কম এর মত জনপ্রিয় নিউজ পোর্টাল গুলো কেন ভিজিটর হারাচ্ছে ?
০২-০৫-২০১৪ তে প্রথম আলোতে পাবলিশ হওয়া নিউজ
এক ঘণ্টা পর সেই নিউজটিই প্রকাশ করল অন্য একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল
ছোট খাট নিউজ পোর্টাল মার্কেটিং এর জন্য অদ্ভুত এক পন্থা বেছে নিয়েছে হয়তো বা অনেকেই ইদানীং লক্ষ্য করেছেন। একটা সময় নিউজ মানেই ছিল প্রতিদিন ভোঁর পর্যন্ত অপেক্ষা করা, সেটা খবরের কাগজ হোক কিংবা অনলাইন পোর্টাল । এক সময় নিউজ পোর্টাল গুলো ২৪ ঘণ্টা আপডেট দেয়া শুরু করল, যা নতুন করে ভিজিটর কে আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট ছিল । সেই সময়টাতেই অনলাইন পোর্টাল গুলতে ভিজিটর বেড়ে যায়। কিছু দিন পর শুরু নতুন ট্রেন্ড শুরু হলো, যে আপডেটেড নিউজ ফেসবুক এ শেয়ার করতে হবে। নিউজ পোর্টাল গুলো রীতিমতো প্রতিযোগিতায় নেমে পড়লো কার নিউজ সবার আগে ফেসবুক এ শেয়ার হবে। শুধু তাই নয় এরা সম্ভবত চেষ্টাও করেছে একে অন্যের সার্ভার হ্যাঁক করতে। যার ফলাফল অত্তান্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে নাম করা নিউজ পোর্টাল এর সার্ভার ডাউন এবং সেই সুযোগে অন্যদের অর্জন অতিরিক্ত কিছু ভিজিটর। আর ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ালে সুফল কি এটা আপনি অবশ্যই বেশ ভালো করেই বুঝতে পারছেন। ভিজিটর বেড়ে যাওয়া মানেই অনেক বেশী মূল্যের কমার্শিয়াল অ্যাড এর স্লট বিক্রি হওয়া (অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর এটাই মূল বিজনেস)। ঠিক এই মুহূর্তেই অনেকেই আকৃষ্ট হলো নতুন নতুন নিউজ পোর্টাল খোলার ব্যাবসায়। যাদের (রাজনিতিবিদ/ ব্যাবসায়ী ) বেশ শক্ত লিঙ্কআপ এবং পরিচিতি আছে ,তারা কোন রকম মার্কেটিং বা প্রমোশন না করেই নিজস্ব নিউজ পোর্টাল দিয়ে খুব ভালো ব্যাবসা করে ফেলেছেন। আর তা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন নতুন উদ্যোক্তারা , এদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো ধরেই নিয়েছেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল মানেই লাখ লাখ টাকার ব্যাবসা, কিন্তু তারা কখনই ফোকাস করেননি এই ব্যাবসাটি আসলে কি ভাবে হয়, একটা ওয়েব পোর্টাল খুলে রাখলেই কি লাখ টাকার অ্যাড পাওয়া সম্ভব...। আর যদি অ্যাড নাই পান তবে আপনার ব্যাবসা কোথায় ? অনলাইন নিউজ পোর্টাল এর টার্গেট কাস্টোমার ইন্টারনেট বাবহারকারী আর সবচেয়ে বেশী সংখ্যক ইন্টারনেট ব্যাবহারকারী এই মুহূর্তে শুধু ফেইসবুকেই পাওয়া সম্ভব। এই চিন্তা মাথায় রেখে নিউজ পোর্টাল গুলো ফেইসবুক এ নিউজ পোস্ট দেয় । নিউজটি যদি ইন্টারেস্ট গ্রো করানোর মত হয় তাহলে আপনি অবশ্যই আপনি সেটায় ক্লিক করবেন , সেটা যেই নিউজ পোর্টালই হোক না কেন। এই স্ট্যাটেজি কম বেশী সব নিউজ পোর্টাল গুলোই করছে । মূল কথা হলো অধিকাংশ সময়, খবর জানার জন্য আপনি এখন আর বিশেষ কোন ওয়েব সাইটে ভিজিট করছেন না বরং ফেসবুক এ শেয়ারকৃত যে খবরটির হেডলাইন আপনার ভালো লাগছে তাতে ক্লিক করেই আপনি কোন একটা ওয়েব সাইটে প্রবেশ করছেন। কোন কোন ক্ষেত্রে আপনি নিজের অজান্তেই অপরিচিত ওয়েব পোর্টালও প্রবেশ করছেন তাও শুধু মাত্র খবরের হেড লাইনের প্রতি আগ্রহী হয়েই। যার দরুন পরিচিত নিউজ পোর্টাল গুলো তাদের ভিজিটর হারাচ্ছে। ব্যাপারটা অনেকটা এমন যে, আগে ইন্টারনেট ভিজিটর ছিল ১০০ জন আর তাদের জন্য নিউজ পোর্টাল ছিল ৪ টা এবং মার্কেটে এতো বেশী প্রতিযোগিতা ছিল না। কিন্তু এখন ইন্টারনেট ভিজিটর ৫০০ জন আর নিউজ পোর্টাল আছে ১০০টা এবং মার্কেট অসম্ভব রকম প্রতিযোগিতা মূলক।যে যেভাবে পারছে ভিজিটরকে নিজের দিকে টানছে। যার কারণে ইন্টারনেট বাবহারকারি বাড়লেও নিউজ পোর্টাল গুলো ভিজিটর ধরে রাখতে পারছে না । কারণ নিউজ পোর্টাল গুলো তাদের পোর্টাল এ কি নিউজ দিল সেটা এখন আর আপনি দেখছেন না , বরং ফেসবুক এ শেয়ারকৃত যে নিউজটির হেডলাইন আপনার কাছে ভালো লাগছে আপনি সেটাতেই ক্লিক করছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)










